জ্বালানি সংকটে পুলিশের টহল বন্ধ হলে পুলিশকে কি সাইকেল কিনে দেওয়া হবে?
---
বাংলাদেশে এখন পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে রেশনিং করে। বিপিসি ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রির সীমা বেঁধে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লেগেছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ, তেলের দাম লাফিয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের টহল গাড়ি জ্বালানির অভাবে থেমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টহল কমলে ভাসমান অপরাধীরা মাথাচাড়া দেবে। সারা দেশে এক লাখ পাঁচ হাজারের মতো এই শ্রেণির অপরাধী ঘুরে বেড়াচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে যখন কথা উঠছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে পড়ে যায় ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে যে নির্বাচন হলো সেটার কথা। দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বয়কটের মুখে, কার্যত নিজেরা নিজেরা একটা পাতানো ভোটের আয়োজন করে যে দল ক্ষমতায় এলো এবং যে তথাকথিত মন্ত্রিপরিষদ এখন দেশ চালাচ্ছে, তাদের কাছ থেকে এই সংকট মোকাবেলায় কোনো বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা আশা করা যাচ্ছে না।
বিএনপির জন্মই সেনানিবাসে। জিয়াউর রহমান যে দল বানিয়েছিলেন সেটার ভিত্তিতে কখনো গণতন্ত্র ছিল না, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ছিল না। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে তারা যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন দেশে কী হয়েছিল সেটা মানুষ ভোলেনি। সেই পাঁচ বছর ছিল সিস্টেমেটিক লুটপাট, হাওয়া ভবনের ছায়াশাসন, সংখ্যালঘু নির্যাতন, বোমা-গ্রেনেডের রাজনীতি আর দুর্নীতির এমন মহোৎসব যা বাংলাদেশকে পরপর পাঁচবার বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তকমা পরিয়ে দিয়েছিল। সেই দলটাই এখন আবার ক্ষমতার কেন্দ্রে।
এখন জ্বালানি সংকটে পুলিশ যদি টহল দিতে না পারে, তাহলে মানুষের নিরাপত্তা কে দেবে? এই প্রশ্নের উত্তর বর্তমান সরকারের কাছে নেই। কারণ দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা এই রাজনৈতিক চরিত্রের মধ্যে কখনো ছিল না। রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় আগে থেকে জ্বালানি মজুদ রাখা, পুলিশের টহল কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া, এই মৌলিক কাজগুলো করার সদিচ্ছা যদি থাকত, তাহলে এই শঙ্কার কথা বিশেষজ্ঞদের মুখ থেকে এভাবে বেরোত না।
এমন পরিস্থিতিতে পুলিশদের জন্য একটাই পরামর্শ মাথায় আসছে। ওনাদের সাইকেল কিনে দেওয়া হোক। শারীরিক ব্যায়াম হবে, দেশের জ্বালানিও বাঁচবে। ২০০১ সালে বিএনপি যে বাংলাদেশ রেখে গিয়েছিল, সেই বাংলাদেশে ফিরে যেতে যদি এই সরকার মরিয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাইকেলে টহল দেওয়াটা আসলে খুব একটা অসামঞ্জস্যপূর্ণও হবে না।

32 Comments
জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু!
ReplyDeleteপুলিশকে অকেজো করার কাজ চলছে
ReplyDeleteশেখ হাসিনার সরকার এই মুহূর্তে দরকার জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় শেখ হাসিনার
ReplyDeleteশেখ হাসিনা সরকার বারবার দরকার
ReplyDeleteচিন্তার বিষয়🤔
ReplyDeleteচিন্তার বিষয়
ReplyDeleteজননেত্রী শেখ হাসিনার হাতেই এই দেশ ও দেশের মানুষ নিরাপদ
ReplyDeleteতেল আসছে ব্রো। ২৮ ফেব্রুয়ারীর আগে হরমুজ অঞ্চল পার হয়ে গেছিলো বাংলাদেশের অর্ডার করা তেল৷ জাহাজ গতকাল চিটগং পৌছেছে
ReplyDeleteঅকটেন আর পেট্রোলের যে সংকট ঘোড়া নিয়ে এখন তাদের ডিউটি করতে হবে
ReplyDeleteহে আল্লাহ আপনি হেফাজত করুন
ReplyDeleteসুরু হয়ে গেছে সিন্ডিকেট
ReplyDeleteসময় উপযোগী কথা
ReplyDeleteঘোড়া আছে তো !
ReplyDeleteকথা সত্য
ReplyDeleteপুলিশের না আর্মির
ReplyDeleteআমাদের টেসলা আছে,,সমস্যা হবে না
ReplyDeleteবিশ্ব বাজারে সংকট
ReplyDeleteবাইসাইকেল ছাড়া উপায় দেখা যাচ্ছে না
ReplyDeleteখুব ভালো সিদ্ধান্ত
ReplyDeleteনা
ReplyDeleteঘোড়া কিনার আলাপ চলছে
বিয়ারিং গাড়ি দিবে
ReplyDeleteতেল না আনতে পারলে কি করবে আপনি বলেন,,
ReplyDeleteবিএনপি সরকার আর নাই দরকার।
ReplyDeleteফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে!
ReplyDeleteসাইকেল চালিয়ে জান সবাই
ReplyDeleteশেখ হাসিনা সরকার বারবার দরকার
ReplyDeleteঅটোরিকশা কিন্তু ভালো হয়
ReplyDeleteঘোড়া দিবে
ReplyDeleteচিন্তা না করলেও চলবে।
ReplyDeleteসাইকেল না
ReplyDeleteঘোড়া ব্যবহার করবে
সবই মবের রাজত্ব কায়েম করার ধান্দা
ReplyDeleteবিএনপি দলটাই একটা চাঁদাবাজির দল
ReplyDelete