ভোটারহীন প্রহসনের নগ্ন প্রমাণ: ইউনুসের সাজানো গণভোটে ১১ লাখ ভোট উধাও যেন ভোট নয়, অঙ্ক কষে ক্ষমতা দখল
------
গণভোট শেষ হওয়ার ১৪ দিন পর হঠাৎ করে প্রায় ১১ লাখ ভোট কমিয়ে সংশোধনী গেজেট প্রকাশ—এটি আর “কারিগরি সংশোধন” নয়, এটি একটি সাজানো ও অবৈধ প্রক্রিয়ার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি। নির্বাচন কমিশনের এই সংশোধন প্রমাণ করে, ড. মুহাম্মদ ইউনুস-এর অধীনে অনুষ্ঠিত তথাকথিত গণভোট ছিল পরিকল্পিত প্রহসন, যেখানে ফলাফল আগে ঠিক, ভোট পরে।
সংশোধিত হিসাব বলছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে প্রায় ৯.৭৪ লাখ, ‘না’ ভোট কমেছে ১.১১ লাখের বেশি, অথচ বাতিল ভোট উল্টো বেড়েছে। কোথাও ভোটারের চেয়ে ভোট বেশি, কোথাও মোট ভোটারের চেয়েও গণভোটের সংখ্যা বেশি—এমন গড়মিল কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কল্পনাও করা যায় না। এটি সরাসরি ব্যালট ভরতি, সংখ্যা সাজানো এবং জনসম্মতি “দেখানোর” মরিয়া চেষ্টার আলামত।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে, সাধারণ ভোটারের উপস্থিতি প্রায় শূন্য রেখে যে নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছিল, এই সংশোধনী তারই প্রমাণ। ভোটার উপস্থিতি ও বৈধতা জাহির করতেই এই ভোট কারচুপি। সন্ধ্যা নামার আগেই ব্যালট ভরার অভিযোগ, পরে সংখ্যার গড়মিল—সব মিলিয়ে এই গণভোট বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত অধ্যায় হয়ে থাকবে।
কারণ না জানিয়ে সংশোধনী গেজেট প্রকাশ করা নির্বাচন কমিশন-এর বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এই “সংশোধন” আসলে একটি স্বীকারোক্তি—ইউনুসের নির্বাচন ছিল অবৈধ, সাজানো ও সেট করা। জনরায় নয়, অঙ্ক কষে ফল বানানো হয়েছিল। ইতিহাস এই কারচুপিকে ক্ষমা করবে না।

13 Comments
সহমত ভাই
ReplyDeleteক্ষমতার ভাগাভাগি নির্বাচন
ReplyDeleteজয় বাংলা
ReplyDeleteসহমত ভাই
ReplyDeleteভোট গণনা করার পরেও ১১লক্ষ ভোট বাতিল করা হয়।এটাকি নির্বাচন নাকি অংকের নির্বাচন।
ReplyDeleteএই অবৈধ ভোটে আমাদের কিছুই আসে যায় না
ReplyDeleteসহমত
ReplyDeleteইউনুসের সহযোগী ইসি কেও পরিনতী ভোগ করতে হবে
ReplyDeleteপ্রহসনের নির্বাচন বয়কট করেছে দেশের 70% জনগণ
ReplyDeleteJamat shibir razakar younos ncp kulangar
ReplyDeleteঅবৈধ নির্বাচন বাতিল করতে হবে
ReplyDeleteপ্রহসন নির্বাচন বর্জন করেছে জনগণ
ReplyDeleteসহমত
ReplyDelete