১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ। গ্রাম থেকে শহর, নদী থেকে জনপদ সবখানে কান্না, আগুন আর প্রতিরোধ। সেই সময় একদল মানুষ বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল স্বাধীনতার পক্ষে, আর আরেকদল দাঁড়িয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পাশে রাজাকার, আলবদর, আলশামস হয়ে।


২৫ মার্চের কালরাতে যখন নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তখন কে কোন পাশে ছিল ইতিহাস তা স্পষ্ট করে রেখেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে লাখো শহীদ প্রাণ দিয়ে প্রমাণ করেছেন, এই দেশ মাথা নত করবে না। বিজিয় ছিনিয়ে এনেছে, বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করে স্বাধীন করেছে।


কিন্তু আজ?

যারা সেই স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, যারা এই লাল-সবুজ পতাকাকে মেনে নেয়নি, তাদের আদর্শের উত্তরাধিকারীরা যদি স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদে যায় এটা কি শুধু রাজনৈতিক ঘটনা? না, এটা ইতিহাসের কালো অধ্যায়।


এই সংসদে দাঁড়িয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, বাংলাদেশে রাজাকারদের কোনো স্থান নেই। জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছিলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইন করে। সেই বিচার শুধু আদালতের রায় ছিল না, ছিল জাতির আত্মসম্মানের পুনরুদ্ধার।


অথচ ষড়যন্ত্রকারীদের কালো থাবায় আজ আবার সেই অন্ধকার শক্তি, দেশবিরোধী রাজাকারেরা সংসদের দরজায় কড়া নাড়ছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে আমরা কি ভুলে গেছি বধ্যভূমির হাহাকার? আমরা কি ভুলে গেছি মায়ের কান্না, বোনের আর্তনাদ, শহীদের রক্ত?


সংসদ কেবল ক্ষমতার আসন নয়, এটি শহীদদের আত্মত্যাগের উপর দাঁড়িয়ে থাকা এক পবিত্র প্রতিষ্ঠান। সংসদ হচ্ছে একটি জাতির মর্যাদার প্রতীক। আর সেখানে স্বাধীনতার বিরোধী আদর্শের প্রতিনিধিত্ব মানে ৭১-এর চেতনাকে অস্বীকার করা। মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করা। 


সংসদে দাঁড়িয়ে আইন প্রণয়ন করবে এমন কেউ, যে আদর্শগতভাবে এই দেশের জন্মের বিরোধী ছিল এটা কি শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা নয়?


রাজাকার সংসদে যাবে এ খবর শুনে শুধু রাজনৈতিক ক্ষোভ নয়, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। কারণ এটা দলীয় প্রশ্ন নয়, এটা অস্তিত্বের প্রশ্ন। স্বাধীনতার প্রশ্ন। ইতিহাসের প্রশ্ন।


এই লজ্জা শুধু একজন বাঙালির নয়, একটি দলের নয়, এ লজ্জা পুরো জাতির।


আজ যদি আমরা চুপ থাকি, তাহলে আগামী প্রজন্ম জিজ্ঞেস করবে "তোমরা কীভাবে মেনে নিলে?”

এই নীরবতা হবে বিশ্বাসঘাতকতা।


তাই স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই,

রাজাকারদের জন্য এই সংসদ নয়।

স্বাধীনতা বিরোধীদের জন্য এই বাংলাদেশ নয়।


আজ নীরব থাকা মানে ইতিহাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। আজ চুপ থাকা মানে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করা। স্বাধীনতার পক্ষের সকল শক্তিকে একতাবদ্ধ হতে হবে। আমরা বীরের জাতি, আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। এই দেশবিরোধী রাজাকারদের উচ্ছেদ করতেই হবে, জাতিকে আবারও কলঙ্কমুক্ত করতেই হবে।

Post a Comment

27 Comments

  1. বাংলাদেশ মুক্তি পাক।

    ReplyDelete
  2. এই দেশটা এখন রাজাকারের দখলে।

    ReplyDelete
  3. সহমত

    ReplyDelete
  4. ডক্টর সৈয়দ ফয়জুল হাসানFebruary 23, 2026 at 12:15 AM

    🥰🥰🥰🥰সঠিক

    ReplyDelete
  5. ছিঃ ছিঃ ধিক্কার

    ReplyDelete
  6. রাজাকার রাজাকার

    ReplyDelete
  7. ছিছিছি ধিক্কার, সংসদে যায় রাজাকার।

    ReplyDelete
  8. তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই

    ReplyDelete
  9. মির্জা জামিল আহমেদ তমালFebruary 23, 2026 at 12:16 AM

    ছিঃছিঃছিঃ

    ReplyDelete
  10. জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু!

    ReplyDelete
  11. ছি ছি ধিক্কার

    ReplyDelete
  12. লজ্জিত জাতি

    ReplyDelete
  13. Helal Uddin MaksudpuryFebruary 23, 2026 at 12:19 AM

    জনগণ যাকে ভোট দিবে সেই সংসদে যাবে। আপনারা কি মানুষকে দাস মনে করেন?

    ReplyDelete
  14. জয় বাংলা

    ReplyDelete
  15. Sheikh Iram Mahmud ShefatFebruary 23, 2026 at 12:20 AM

    ছি ছি ধিক্কার, সংসদে যায় রাজাকার!

    ReplyDelete
  16. তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই

    ReplyDelete
  17. জয় বাংলা

    ReplyDelete
  18. জয় বাংলা

    ReplyDelete
  19. Joy Bangla Joy Bangabandhu 🇧🇩✊🇧🇩

    ReplyDelete
  20. জয় বাংলা

    ReplyDelete
  21. রাজাকারের বা*চ্চা'রাও আজ দেশদ্রোহী হয়ে দেশের সংসদে যাচ্ছে।

    ReplyDelete
  22. ইউনূসের অবৈধ নির্বাচন মানি না

    ReplyDelete
  23. তীব্র নিন্দা জানাই

    ReplyDelete
  24. জয় বাংলা

    ReplyDelete
  25. জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় আমাদেরই হবে সময়ের অপেক্ষা মাত্র,,,

    ReplyDelete