*প্রথম ঘোষিত বীরশ্রেষ্ঠ' হিসেবে পরিচিত জগৎজ্যোতি দাস
তিনি বীরের মতো যু/দ্ধ করতে করতেই শহীদ হয়েছিলেন। শ/ত্রুদের কাছে তিনি ছিলেন এক জীবন্ত আ/তঙ্ক, এক বিস্ময়ের নাম। তিনি দুর্ভাগা, তিনি স্বীকৃত নন এই খেতাবে, স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও নন। নিজের জীবন তিনি বিলিয়ে দিয়েছেন, মৃ/ত্যুর পরেও তাঁর শব ক্ষ/ত-বিক্ষ/ত হয়েছে শ/ত্রুদের আ/ঘা/তে- প্রকাশ্যে, তিনি যে দেশকে ভালবেসেছিলেন।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা গ্রামের জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস ও হরিমতি দাসের কনিষ্ঠ পুত্র ছিলেন তিনি। বিংশ শতাব্দীর এই অভিমন্যু বাংলার কুরুক্ষে/ত্রের চ/ক্রব্যূ/হে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন মাতৃভূমির জন্য।
যাঁর কথা বলতে এসেছি, তিনি বাংলার ঘোষিত অথচ অস্বীকৃত প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ, জগৎজ্যোতি দাস।
১৯৭১ সালে তিনি ছিলেন এইচএসসির শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। ১৯৬৯ সালের আইয়ুববি/রো/ধী আ/ন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। পরে বিশেষ দায়িত্ব পালনের জন্য ভারতের গৌহাটির নওপং কলেজে ভর্তি হন। সেখানে বিভিন্ন ভাষা শেখার পাশাপাশি অ//স্ত্র ও বি//স্ফোরক ব্যবহারের কৌশলও আয়ত্ত করেন। ভাটি বাংলাকে মুক্ত করার শপথ নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন দাস পার্টি এবং হন তার সাহসী কমান্ডার।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দো/সর রা/জা/কা/র-আ/লব/দরদের কাছে জগৎজ্যোতি ছিলেন এক মূর্তিমান আ/তঙ্ক। মুক্তিযুদ্ধের সময় টেকেরঘাট সাব-সেক্টরের অধীনে বিস্তীর্ণ ভাটি অঞ্চল শ/ত্রুমুক্ত রাখার দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। দিরাই, শাল্লা, ছাতক, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনার নৌপথ রক্ষায় তিনি ও তাঁর দাস পার্টি প্রাণপণ যু//দ্ধ চালিয়ে যান।
দাস পার্টির সাফল্যে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিল পা/কিস্তানি বা/হিনী যে পাকিস্তান সরকার রেডিওতে ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়, এই রুটে চলাচলকারীদের জানমালের দায়িত্ব সরকার নেবে না।
মাত্র ১৩ জন সহযো/দ্ধাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বানিয়াচংয়ে পা/কিস্তানি বা/হিনীর প্রায় ২৫০ জন সৈ/ন্য ও তাদের দো/সরদের অগ্রযাত্রা রুখে দেন। সেই যু//দ্ধে শ/ত্রুপক্ষের অন্তত ৩৫ জন নিহ/ত হয়। পা/কিস্তানি গা/নবো/ট ধ্বং/স করা হয়। ২৯ জুলাই জামালগঞ্জ থানা ও সাচনাবাজার নৌবন্দর শ/ত্রুমুক্ত করে তিনি সারা দেশে আলোচনায় উঠে আসেন।
তাঁর নেতৃত্বেই সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের বদলপুর ব্রিজ ধ্বং/স করা হয়। তাঁর অসাধারণ কৃতিত্বের প্রশংসা করেন ভারতীয় কমান্ড বাহিনীর মেজর জি. এস. ভাট। ১৭ আগস্ট পাহাড়পুরে তাঁর বীরত্ব ও র/ণকৌশলে অসংখ্য নিরীহ মানুষের প্রাণ রক্ষা পায়। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয় তাঁর বীরত্বগাঁথা।
তিনি একাই এ/লএ/মজি হাতে জামালপুর থানা দ/খল করেন, যেখানে ঘাঁটি গেড়েছিল স্থানীয় রা/জাকা/ররা। জামালপুর মুক্ত করার যু//দ্ধে তিনি হারান তাঁর সহযোদ্ধা বীর সিরাজুল ইসলামকে। এরপর মাত্র ১০-১২ জন সহযোদ্ধাকে নিয়ে শ্রীপুর মুক্ত করেন এবং খালিয়াজুড়িতে শ/ত্রুদের বার্জ ধ্বং/স করেন।
আগস্ট মাসে কোনো গু//লি ব্যয় না করেই কৌশলে দিরাই-শাল্লায় দশ সদস্যের এক রা/জা/কার দলকে আ/টক করেন, যারা এলাকায় হ//ত্যা, ধর্ষ//ণ, লু/ট/পাট ও নি/র্যা/তন চালাচ্ছিল। রানীগঞ্জ ও কাদিরীগঞ্জেও অভিযান চালিয়ে বহু রা/জা/কা/রকে গ্রে/প্তা/র করেন।
১৬ নভেম্বর ১৯৭১।
এই দিনটিই ছিল বীরের ললাটে লেখা শেষ দিন।
ভোরে ৪২ জন সহযো/দ্ধাকে নিয়ে আরেকটি অ/ভিযানে বের হন জগৎজ্যোতি। লক্ষ্য ছিল বানিয়াচং-বাহুবল এলাকা। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই বদলপুরে শ/ত্রুদের সুপরিকল্পিত ফাঁ/দে পড়েন।
কয়েকজন রা/জা/কার ব্যবসায়ীদের নৌকা আ/টকে চাঁ/দাবাজি করছিল। জগৎজ্যোতি তাঁদের গ্রে/প্তা/রের নি/র্দেশ দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের দেখে রা/জা/কাররা পা/লাতে শুরু করলে তিনি অল্প কয়েকজন সহযো/দ্ধাকে নিয়ে তাদের ধা/ওয়া করেন। কিন্তু বুঝতে পারেননি, সামনে অপেক্ষা করছে পা/কিস্তানি সে/না/দের বিশাল বা/হিনী ও ভা/রী অ/স্ত্রশ/স্ত্র।
অজান্তেই তিনি প্রবেশ করেছিলেন এক চ/ক্রব্যূ/হে।
তবুও যু//দ্ধ থামাননি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে গেছেন।
সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে তিনি সবাইকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। নিজে এবং সহযোদ্ধা ইলিয়াস শ/ত্রুর মুখোমুখি থেকে অন্যদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ করে দেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর ইলিয়াসও গু/লিবি/দ্ধ হন। নিজের মাথার গামছা খুলে তাঁর ক্ষ/ত বেঁধে দেন জগৎজ্যোতি।
ইলিয়াস তাঁকে সরে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু জগৎজ্যোতি পিছু হটেননি।
একাই যু//দ্ধ চালিয়ে পা/কিস্তানি বা/হিনীর অন্তত বারোজন সৈ/ন্যকে প/রাজিত করেন। বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে গো/লাবা/রুদ শেষ হয়ে আসে। সূর্য যেমন ধীরে ধীরে অস্ত যায়, তেমনি নিভে আসে এক অদম্য যো/দ্ধার জীবনপ্রদীপ। গু/লিবি/দ্ধ হয়ে শহীদ হন জগৎজ্যোতি দাস।
জনশ্রুতি আছে, গু/লিবি/দ্ধ হওয়ার পরও তিনি তখন জীবিত ছিলেন। তাঁকে আ/টক করে অ/মা/নুষিক নি/র্যাতন করা হয়। তাঁর শরীরে পে/রেক বি/দ্ধ করে সেই বি/ভৎ/স ছবি সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হয়।
এরপর তাঁর ম/রদে/হ নিয়ে যাওয়া হয় আজমিরীগঞ্জ বাজারে।
সেদিন ছিল ঈদের বাজার। শত শত মানুষের সামনে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে তাঁর ম/রদে/হ ক্ষ/ত-বি/ক্ষ/ত করা হয়। রা/জা/কাররা তাঁর ম/রদে/হের ওপর থু//থু নিক্ষেপ করে। এমনকি তাঁর মা-বাবাকেও জোর করে ডেকে এনে সেই বি/ভ/ৎস দৃশ্য দেখানো হয়। পরিবার যখন শোকে মুহ্যমান, তখন আ/গু/ন ধরিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের বাড়িতে। পরে তাঁর ক্ষ/তবি/ক্ষ/ত ম/রদে/হ কুশিয়ারা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন একাধিকবার জগৎজ্যোতি দাসকে বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে ঘোষণার কথা প্রচারিত হয়। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র, অল ইন্ডিয়া রেডিওসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাঁর বীরত্বগাঁথা সম্প্রচারিত হয়। অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিল।
কিন্তু স্বাধীনতার পরে প্রতিশ্রুতি থেকে ফিরে আসে সরকার!
১৯৭২ সালে তাঁকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অথচ সেই পদকও তাঁর পরিবারের হাতে পৌঁছাতে লেগে যায় প্রায় দুই যুগ।
একটি স্বাধীন দেশের জন্য জগৎজ্যোতি দাস বিলিয়ে দিয়েছিলেন নিজের জীবন। কিন্তু দেশ তাঁকে তাঁর প্রাপ্য স্বীকৃতি দিতে পারেনি। অথচ তিনি বা তাঁর সহযোদ্ধারা কখনো কোনো প্রাপ্তির আশায় যু//দ্ধ করেননি। তাঁদের একমাত্র স্বপ্ন ছিল একটি স্বাধীন বাংলাদেশ।
একটি মাতৃভূমির জন্য জগৎজ্যোতি বিলিয়েছেন নিজের প্রাণ। তবে তিনি বেঁচে আছেন এই বাংলার নিঃশ্বাসে, স্পন্দনে, প্রতিটি স্বাধীন মানুষের হৃদয়ে।
ছবিতে: ১৭ নভেম্বর, আজমিরীগঞ্জ বাজারে শহীদ জগৎজ্যোতি দাসের ম/রদে/হ।

47 Comments
বিনম্র শ্রদ্ধা 🙏
ReplyDeleteবীরশ্রেষ্ঠ উপাধী দেয়া হয়েছে কোটায়।ক্র্যাক প্ল্যাটুনের রুমি,বদি ও হাওরের জগৎজ্যোতি দাস'রা আমাদের অন্তরের বীরশ্রেষ্ঠ।
ReplyDeleteনিজের অজান্তেই চোখে পানি এসেছে। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই বীর মুক্তিযোদ্ধা কে।
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা জানাই জগৎজ্যোতি সহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের
ReplyDeleteRespect for this hero.
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা ❤️
ReplyDeleteOi momoy manus desh k bachanot er jonno koto kosto korse. Respect them 🙏🤲
ReplyDeleteঅথচ!!
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি
ReplyDeleteআমরা যখন মানুষ হবো, তোমাকে মুল্য দিতে পারবো। এখন আরো বেশি জানোয়ার হয়ে গেছি। তবুও যৎসামান্য শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এখনো তুমি হিন্দু,,,,,,,,,,,
ReplyDeleteSalute You...
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা,,, অকুতোভয় সংগ্রামের এই মহান বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ কে।।
ReplyDeleteবীরত্বের ফলে উপাদি পাওয়াটাই কি বড়?
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা এ বীর মুক্তিযোদ্ধা।
ReplyDeleteতোমার আত্নত্যাগের আমরা কখনো ভুলব না।
বিনম্র শ্রদ্ধা।
ReplyDeletejoy bangla
ReplyDeleteশহীদ জগৎজ্যোতি দাসের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
ReplyDeleteRespect.
ReplyDeleteঅতল শ্রদ্ধা !!
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা মহান বীরের প্রতি
ReplyDeleteবাঙালি জাতির সূর্যসন্তানকে বিনম্র শ্রদ্ধা
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা, বাঙালি জাতির সূর্যসন্তান। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি ❤️
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই 🙏🌹!
ReplyDeleteসকল বীর শ্রেষ্ঠদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন পূর্বক একটা প্রশ্ন। বীর শ্রেষ্ঠ উপাধি কেন শুধু নিয়মিত সেনা বা আধাসামরিক বাহিনীর জন্যই দেয়া হলো! মহান বীর মুক্তিযোদ্ধা জগৎ জ্যোতি দাস তার বীরত্বপূর্ণ আআত্মত্যাগের জন্য সেটা ডিজার্ভ করেন। এরকম আরও অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন যারা অনিয়মিত গেরিলা বাহিনীর সদস্য যারা বীর শ্রেষ্ঠ উপাধি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন অসঙ্গত কারণে! যেটা খুব দুঃখজনক অধ্যায়।
আভূমিনত শ্রদ্ধা...
ReplyDeleteতার নাম না জানার জন্য নিজেকে ধিক্কার জানাই।তবে দোষটা কি শুধুই নিজের? এই জাতির কি কোনই দোষ নেই?
ReplyDeleteকেন এই জাতি স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও দেশের নায়কদের পর্দার আড়ালে রেখেছে?
দেশ নায়কদের সম্মানার্থে কি সেতু ব্রীজ তাদের নামে রাখা যায় না!
আমাদের সূর্য সন্তান
ReplyDeleteঅন্তিম শ্রদ্ধা
বিনম্র শ্রদ্ধা বাংলার এই শ্রেষ্ঠ সন্তান কে 🫡 এই শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে তার প্রকৃত সম্মান প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি বর্তমান সরকারকে 🙏
ReplyDeleteSalute জানাই বীর মুক্তিযোদ্ধা বাঙালি জাতির সূর্যসন্তানকে 🫡🫡
ReplyDeleteএই পেজ কি জয় বাংলার 🤣
ReplyDeleteএই মহান বীরের প্রতি প্রণাম। অন্যায়ের প্রতিবাদে, দুর্বলের রক্ষার্থে যে আত্মত্যাগ করে তাঁর খেতাবের দরকার নাই।
ReplyDeleteজগৎজ্যোতি দাস, আপনার বীরতা আমাদের জ্যোতি দেখাক, অবিরাম, এই প্রার্থনা।
বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই হে সূর্য সন্তান
ReplyDeleteতোমরাই এ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তোমাদের ঋণ কখনো শোধ করা যাবে না।
ReplyDeleteReply
গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতীয় এই বীরকে
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা ও সালাম জননীর বীর সন্তানের প্রতি।
ReplyDeleteএমন দুঃসহ ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা নিয়ে আজ বাঙালীরা ছিনিমিনি খেলছে। মানা যায় না।
বাংলার বীর সেনানীদের জন্য শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা
ReplyDeleteভারতীয় এসব ইতিহাসের গান আর শুনাইয়ো না আমাদের..
ReplyDeleteযে দেশ তার সূর্যসন্তানদের সম্মান দেয়না, সেই দেশে মতলববাজেরা মসনদে বসে লুটেপুটে খাবেই।
ReplyDeleteস্যালুট হে বীর মুক্তিযোদ্ধা।। আপনাদেরই তৈরী করা বাংলাদেশ আবাও বিপন্ন হতে চলেছে.
ReplyDeleteশ্রদ্ধা হে বীর
ReplyDeleteসেল্যুট জানাই এসব বীরদের....
ReplyDeleteএদের রক্তের উপর দাড়িয়ে এই বাংলাদেশ
তার মানে শত্রু রাষ্ট্র ভরত কত আগে থেকে ষড়যন্ত্র করা শুরু করেছিল যে এত আগে থেকেই সেখানে আমাদের ডেকে গেরিলা ট্রেনিং দিত। ভাইরে ভাই
ReplyDeleteযদ্দুর জানি, কোনো বেসামরিক নাগরিককে বীর শ্রেষ্ঠ উপাধি দেয়া হয়নি সে যতই বীরত্ব দেখাক না কেন!
ReplyDeleteতার সাহসিকতা ও বীরত্বগাধা অবদান কে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি।
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠদের জীবন কাহিনী পড়লাম!!!
ReplyDeleteনিজেস্ব বাহিনী তৈরি করে শতশত এলাকা পশুদের থেকে মুক্ত করেছিল উনার স্থান অবশ্যই আলাদা হওয়া উচিত 🤍
Respect
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা, বাঙালি জাতির সূর্যসন্তান।
ReplyDeleteবিনম্র শ্রদ্ধা 💙💜
ReplyDelete