উপদেষ্টা পদে বসে দুর্নীতির মহোৎসব : নাহিদ-আসিফ-নূরজাহানের লুটপাটের সাম্রাজ্য
বাংলাদেশ আজ এক ভয়াবহ বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। ক্ষমতায় বসে আছে একদল রাজনৈতিক অনুপযুক্ত, নৈতিকভাবে দেউলিয়া, লোভের পশুতে পরিণত হওয়া একদল অপদার্থ দুর্বৃত্ত। নামধারী উপদেষ্টা—নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, নূরজাহান বেগম—যারা নিজেরা সরাসরি ধরা না পড়ে, নিজেদের পিএ, এপিএস, পিও-দের আড়ালে রেখে এমন একটা দুর্নীতির সাম্রাজ্য দাঁড় করিয়েছে, যার পরিমাণ শত শত কোটি টাকা। অথচ এদের মুখে সংস্কার আর স্বচ্ছতার বুলি। ভেতরে শুধু লোভ, হিংস্রতা, লুট।
এই চক্রের মূল খেলা ছিল 'সহযোগী'দের দিয়ে কাজ করানো। কিন্তু এই নাটকের পরিচালকরাও তারাই। পিএ বা পিএস-রা ছিল শুধু মুখোশ। বেহায়াপনার এক এমন বর্ধিত সংস্করণ চালু করেছে তারা, যেখানে দেশের টাকা লুট করাও গর্বের, ক্ষমতার দাপট দেখানোও যেনো ন্যায্য। এই অপরাধীরা এখনো বুক ফুলিয়ে হাঁটে, চায়ের কাপে ঝড় তোলে, আর গণমাধ্যমে ‘উন্নয়ন’ গপ্প শোনায়।
জ্ঞাতিগুষ্টিকে সাথে নিয়ে নাহিদের অন্ধকার সাম্রাজ্য
নাহিদ ইসলাম, অন্তর্বর্তী সরকারের তথাকথিত তথ্য উপদেষ্টা, যিনি আজ পর্যন্ত নিজের মুখ দিয়ে আতিক মোর্শেদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটা শব্দ বলেননি। কারণ একটাই—আতিক মোর্শেদ কোনো 'সহকারী' ছিল না, সে ছিল সরাসরি নাহিদের ছায়ায় পরিচালিত কোটি কোটি টাকার লুটপাট মেশিন। নগদ-এর ১৫০ কোটি টাকা গিলে খাওয়ার অভিযোগ শুধু একটি নমুনা।
নগদ ভবনের ৬ তলায় সে কীভাবে রোজ রুটিন অফিস করে? সে কে? কোন নিয়োগে? উত্তর একটাই—ক্ষমতার নেকাব পড়ে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে নিজের পারিবারিক লুটের জায়গায় পরিণত করেছে এই তথাকথিত উপদেষ্টা। নিজের স্ত্রীকে ম্যানেজার কমপ্লায়েন্স বানিয়ে, আত্মীয়স্বজনকে পদে বসিয়ে রাষ্ট্রকে গিলে খাচ্ছে এই চক্র। ‘আমাদের ডোনেট করে ধনীরা’—এই ধৃষ্টতাপূর্ণ কথার মানে এখন স্পষ্ট: ধনীরা শুধু দান করছে না, বিনিয়োগ করছে—লুটের শেয়ারে, কমিশনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
জাতীয় দৈনিকে নাহিদের আমলনামা : https://www.kalerkantho.com/online/national/2025/05/30/1525481
আসিফ ও মোয়াজ্জেম : তদবিরের ডন
যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ‘এপিএস’ মোয়াজ্জেম হোসেন—অবশ্যই তার চেয়েও বড় ভূমিকা পালন করেছে। মন্ত্রণালয় ঘুরে ঘুরে টেন্ডার, বদলি, নিয়োগ—সব জায়গায় ‘কমিশন’ ব্যবস্থা চালু করেছে। অথচ এই মোয়াজ্জেম তো একা না, সে শুধু আসিফের মুখ। নায়ক আসিফ নিজেই, আর মোয়াজ্জেম হলো দালালি সাম্রাজ্যের ডেপুটি।
যে রাষ্ট্রে একজন এপিএস সচিবালয়ে রাতে ১০টা পর্যন্ত বসে তদবির করে, আর সেই তদবিরে লাখ লাখ টাকা লেনদেন হয়—সেই রাষ্ট্র আসলে কে চালায়? মন্ত্রী না উপদেষ্টা? না উপদেষ্টার দালাল? মোয়াজ্জেমের অতীত ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন’-এর মুখোশ আজ ছিঁড়ে পড়েছে। এখন সে বৈষম্যেরই সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী। ঠিকাদারদের বিল পাইয়ে দেওয়ার বদলে শেয়ারের টাকা নেয়, প্রকৌশলীর বদলি লিস্ট বানিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়—এটাই এখন তার কাজ। আর এই পুরো পাপের ছাতা হয়ে আছেন উপদেষ্টা আসিফ।
নূরজাহানের সিন্ডিকেট : স্বাস্থ্য খাতের খাদকরা
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম—একসময় যাকে ‘জনস্বার্থে’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তিনি এখন স্বাস্থ্য খাতের সর্বনাশের মূল কারিগর। তার দুই ‘ছাত্র প্রতিনিধি’—তুহিন ফারাবি ও ডা. মাহমুদুল হাসান—চিকিৎসক, নার্স, সিভিল সার্জন, পরিচালক বদলির নামে লাখ লাখ টাকা করে আদায় করেছে। এরকম ১০০টা বদলি মানেই ১০ কোটি টাকা। আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তো বদলির স্বর্গরাজ্য।
তুহিন এখন বিদেশে—কারণ টাকা পাচার শেষ, মিশন সফল। মাহমুদুল হাসান এখনো বহাল তবিয়তে। যারাই হজ টিমে যাবে, তাদের থেকে টাকা নিচ্ছে; মিডওয়াইফের বদলিতে লাখ টাকা; মেডিকেল কলেজে পোস্টিং-এর দালালি—এসবই নূরজাহানের আশীর্বাদ ছাড়া কীভাবে সম্ভব? এরা শুধু দালাল না, এরা খাদক। দেশের স্বাস্থ্য খাত, নাগরিকের চিকিৎসা—সব কিছুর ওপর থুথু ফেলেছে।
(জাতীয় দৈনিকে আসিফ-নূরজাহানের আমলনামা : https://www.ittefaq.com.bd/728765/)
এই চক্রের আসল নাম : চোর চক্র
এরা কেউই শুধু পিএ, পিএস বা ছাত্র প্রতিনিধি না। এরা সেই সিস্টেমের অংশ, যা নাহিদ, আসিফ আর নূরজাহান নিজেরা চালায়। এই নামগুলোর আড়ালে আর কোনো কথা নেই। এরা সরাসরি চোর। মুখোশ খুলে গেছে।
রাষ্ট্রকে আজ যারা 'পরিচালনা' করছে, তারা ক্ষমতা নিয়েছে শুধু একটি উদ্দেশ্যে—লুট, চুরি, আত্মসাৎ। নির্বাচন, ম্যান্ডেট, গণতন্ত্র—এসব শব্দ তাদের অভিধানে নেই। তাদের স্লোগান একটাই—"তুমি টাকা দাও, আমি বদলি দিই, তুমি কমিশন দাও, আমি নিয়োগ পাইয়ে দিই।" এই হচ্ছে বাংলাদেশের আজকের শাসকের প্রকৃত চেহারা।
সবাই জানে। সবাই বোঝে। কিন্তু তারা থামে না, কারণ তাদের থামানোর কেউ নেই। সংসদ নেই, আদালত নিঃশব্দ, মিডিয়া কিনে ফেলা, আর প্রশাসন পুরোপুরি পকেটে।
এই রাষ্ট্রে এখন নীতির কোনো জায়গা নেই—এটা এখন চোরদের প্লে-গ্রাউন্ড।

26 Comments
ReplyDeleteদেশটাতে হরি লোট চলতাছে সাধারণ মানুষের কোন তোয়াক্কা না করে তারা তাদের নিজেরা আখার গোছাচ্ছে কারণ এসব রাজাকারেরা জানে বাংলাদেশে আর থাকতে পারবে না সময় ফুরিয়ে আসছে
ReplyDeleteএদের বিচার অবশ্যই হতে হবে।
ReplyDeleteসবাই গন লুটপাটকারীতে পরিণত হয়েছে।
ReplyDeleteএদের বিচার অবশ্যই হতে হবে।
ReplyDeleteবাবা দাদাদের উপর নির্ভর করে রাজনীতি চলবে না , যার যোগ্যতা আছে সে নিজ যোগ্যতায় নির্বাচিত হয়ে রাজনীতি করবে- সাধারণ জনগণ খুব সচেতন । এই পরিবার তন্ত্র রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে
ভাবা যায় আমরা কোন দিকে আগাচ্ছি! একটা দল যার দেশ এবং মানুষের জন্য কোন চিন্তা নাই শুধু চিন্তা ক্ষমতার
ReplyDeleteঅবৈধভাবে যারা সরকার গঠনের সাথে জড়িত তাদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারতে হবে
ReplyDeleteদুর্নীতির মূল গুরু শিষ্য ডঃ ইউনুস সুদখোর এবং তারে ধূসর আইতাছি নুরজাহান আসিফ নজরুল service আসমান এদের আইনের আওতায় অবশ্যই আনা হবে ইনশাল্লাহ
ReplyDeleteতারা এই দেশকে ধ্বংস করে দেবে
ReplyDeleteমূর্খ দের দেশ ।
😂 😂
ReplyDeleteদালালের ঘরের দালাল কয় কি
ReplyDeleteদালালের ঘরের দালাল কয় কি
ReplyDeleteমানুষ বলছে আগেই ভালো ছিলাম
ReplyDeleteতোদের শরম নেই
ReplyDeleteNCP নামক সন্ত্রাসী সংগঠনটি রাজনীতি নষ্ট করেছে
তিতা হলে ও সত্যি
ReplyDeleteদুঃখ জনক তীব্র নিন্দা জানায়।
ReplyDeleteযাদের চোখে কাঠের চশমা। তারা চশমাটা খুলে সঠিক ভাবে দেখুন।সব দেখতে পারবেন। বতমানে দুর্নীতির হচ্ছে তা আপনারা কিছুই দেখছেন না।এটাই হচ্ছে ক্ষমতা।
ReplyDeleteকোনো সন্দেহ নেই
ReplyDeleteএই বাংলার মাটিতে বিচার হবে ইনশাল্লাহ
ReplyDeleteবাংলাদেশের সফল জুলাই ব্যবসায়ী 😋
ReplyDeleteদেশটাকে তো তারা ধ্বংস করে দিচ্ছে
আল্লাহ তুমি রক্ষা করো মাবুদ
ReplyDeleteনির্বোধ নির্লজ্জ মিথ্যাচার
ReplyDeleteদেশটাকে ধ্বংস করে দিছে আর নয়।
হটাও সুদখোর ইউনুস বাঁচাও দেশ।
ReplyDeleteহায়রে অভাগা বাংলাদেশ
ReplyDelete#julycudi
ReplyDelete·
অবৈধ, অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক ও অনির্বাচিত স্বাধীনতা বিরোধী ইউনুস ও তার সরকারের সকল উপদেষ্টারা অবৈধ। এদেরকে যে কোন মূল্য ক্ষমতাচ্যুত ও নির্মূল করতে হবে। জয় বাংলা। ✊️✊️✊️
ReplyDeleteহারামজাদের উৎপাত এখনো কমছেনা