তৌহিদ হোসেনের সাম্প্রতিক বক্তব্য—যে দেশের মানুষের এবং ব্যবসায়ীদের কারণে বিদেশি ভিসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে—তা শুধু অযৌক্তিক নয়, এটি ক্ষমতার ঘূর্ণিপাকে পড়ে আত্মবিকৃতি ছাড়া আর কিছুই না। পররাষ্ট্রনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে এটা বোঝা যায় যখন রাষ্ট্র নিজেই নিজের জনগণকে দোষারোপ করে—যেমন এক মেরুদণ্ডহীন, জনবিচ্ছিন্ন, দেউলিয়া প্রশাসনিক কাঠামো করে।
মোহাম্মদ ইউনুস এবং তার চক্র যারা রাষ্ট্র পরিচালনার নামে বসে আছে, তাদের এই ধারা নতুন কিছু না। তারা ক্ষমতার চেয়ারে বসে আছে কিন্তু দায়িত্ব পালনের ন্যূনতম মানসিকতা বা দক্ষতা কোনোটাই নেই। বরং যখন নিজেদের ব্যর্থতা অস্বীকার করার মতো আর কোনো জায়গা থাকে না, তখনই জনগণকে ছাগল বানানোর কৌশল নেয় তারা। জনগণকে দোষারোপ করে কূটনৈতিক অপদার্থতা ধামাচাপা দেওয়া যায় না—এটি একপ্রকার কৌতুক, তাও নিম্নমানের।
তৌহিদ হোসেনের মতো এক প্রাক্তন আমলা—যার দায়িত্ব ছিল দেশের স্বার্থ রক্ষা করা, যিনি কূটনীতির বই মুখস্থ করে নিজের ক্যারিয়ার বানিয়েছেন—আজ তিনি দাঁড়িয়ে বলছেন, আমেরিকার স্টুডেন্ট ভিসা বন্ধ হওয়ার দায় সরকারের নয়! এই ধরণের বক্তব্য আসলে একটি অসহায়, ব্যর্থ, অযোগ্য সরকারের মুখপাত্র হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করার জন্য যথেষ্ট। এই কথাগুলোর অর্থ একটাই—“আমরা কিছুই করতে পারি না, করব না, দায়ও নেব না। কিন্তু তুমিই দায়ী, হে মাথামোটা প্রজা সমাজ।”
বিদেশি দূতাবাসগুলোর ভিসা বন্ধ করার পেছনে কোনও ‘ব্যবসায়ীর অপরাধ’ থাকলেও সেটা থামানোর, ব্যাখ্যা দেওয়ার, কিংবা কূটনৈতিকভাবে সমাধান করার দায়িত্ব তো সরকারের। সেটা যদি তারা না পারে, তাহলে সরকার চালাতে এসেছে কেন? নিজেদের পকেট ভারি করতে? ওয়াশিংটন বা দিল্লি যদি ভিসা বন্ধ করে, সেটা একটা বার্তা—তারা তোমাকে রাষ্ট্র হিসেবে আর বিশ্বাস করে না, তোমার কথার মূল্য নেই। এটা ঠিক জনসাধারণের আচরণে হয় না; এটা হয় তোমার রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতায়, কূটনৈতিক অবজ্ঞায়, নতজানু নীতিতে।
এই ইউনুস বাহিনী দেশটাকে নিয়ে কী করছে, তার ব্যাখ্যা তো আর বলার প্রয়োজন পরে না, নিজের চোখেই দেখা যাচ্ছে। গায়ের জোরে গদিতে বসে আছে, অথচ দেশ চালাতে গিয়ে বাচ্চাদের মতো দোষ দেয়—“ও করেছে, আমি না।” এই লজ্জাহীন, দায়িত্বজ্ঞানহীন, সীমাহীন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এখন আর মানুষকে অবাক করে না। বরং মানুষ এখন বুঝে গেছে—এই ব্যর্থ গোষ্ঠী তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে যেকোনো মাত্রায় নামতে পারে। জনগণের গায়ে কাদা ছিটিয়ে নিজেদের জুতোর দাগ মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।
তৌহিদ হোসেনের বক্তব্য, আদতে একটা রাষ্ট্রের আত্মসমর্পণের স্বাক্ষর। এটা একটা বিপর্যস্ত প্রশাসনের মুখোশ খুলে দেওয়া কণ্ঠস্বর। আর এই ইউনুস-নিয়ন্ত্রিত পুতুল প্রশাসন যতদিন থাকবে, বাংলাদেশের মানুষের সম্মান, স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক মর্যাদা—সব কিছু এভাবেই ধুলোয় লুটাবে।
তারা ব্যর্থ। তারা অপদার্থ। তারা বেআইনি।
আর তারা এবার ধৃষ্টতার শেষ সীমা পেরিয়ে গেছে।

22 Comments
ReplyDeleteএমন সরকার আমাদের দরকার নাই
ReplyDeleteদেশে ভাসমান সরকার থাকলে সকল উন্নয়ন কার্যকম বন্ধ থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
ReplyDeleteভাগিনারা গুলিস্তানের চাদা,আর হলের সিট ব্যবসায় লালবাতি 🤭
ReplyDeleteBatpar younus
ReplyDeleteযারা যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বীকার করে না। তাদের কিভাবে ভিসা দিবে
ReplyDeleteঅযোগ্য মানুষ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
ReplyDeleteটাকা প্রচারের জন্য
ReplyDelete♥️🧡❤️🩵🖤💙🤎
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু,জামাত শিবির রাজাকার এই মুহুর্তে বাংলা ছাড় ✊
ReplyDeleteKhepa younus 🚫
ReplyDelete·
৬৪ জেলার শেখ হাসিনার সৈনিক রা পেইজটি লাইক ফলো করুন।
কেও ফলো না দিয়ে যাবেন না।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
الإسلام محمد سيف
ReplyDelete
ReplyDeleteইনোস হটাও দেশ বাঁচাও
i
ReplyDeleteসরকার কালো শাড়ি পরে প্রতিদিন জনগণকে ধোকা দেবার জ
ReplyDeleteভারতলীগপর এত টেনশন নেয়ার কিছুই নেই।
ReplyDeleteসঠিক
ReplyDeleteতোমরা চালাতে নাপারলে ছেড়ে দাও ছাগল দিয়ে হালচাষ হয় না। রাজাকাররা ভেবেছিল দেশচালানো সহজ। সরোযন্ত্র কোরে এসে ফেসেগেছে সোনার বাংলা ধংস কোরেছে তোমাদের বিচার অনেক কঠিন হবে ইনশাআল্লাহ
ReplyDeleteআপানার আপাতত দেশ নিয়ে ভাবনা বন্ধ করেন। দেশের গুষ্টি মেরে দিয়েছেন তারপরও লজ্জা হয় না?
ReplyDelete·
ইউনুস এর পতন এর পরে আমার ইদ হবে!
এর আগে কোন ইদ নাই!
ReplyDeleteসুদি ইউনুস নিপাত যাক বাংলাদেশ মুক্তি পাক।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জিতবে আবার নৌকা
ReplyDeleteশেখের বেটি আসবে শেখের মতো বাংলাদেশের মানুষকে রাজাকারের হাত থেকে রক্ষা করতে
ReplyDeleteআরেকটা প্রত্যাবর্তন ও মুক্তিযুদ্ধের অপেক্ষায় বাংলার ১৮ কোটি জনগন।
ReplyDeleteজয় বাংলা ✊🏻
জয় বাংলা ✊🏻