বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে টপকে যেত বাংলাদেশ : ধর্মমন্ত্রী

 



ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হতো। সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে টপকে যেতে পারত বাংলাদেশ।

বুধবার (২৭ মার্চ) আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।


বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে টপকে যেত বাংলাদেশ : ধর্মমন্ত্রী

229Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
copy sharing button
print sharing button
ফরিদুল হক খান। ছবি : সংগৃহীত

ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হতো। সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে টপকে যেতে পারত বাংলাদেশ।

বুধবার (২৭ মার্চ) আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে সবচেয়ে বড় ক্ষতটা তৈরি হয়েছে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে। বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংস ও জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রায় সপরিবারে স্বাধীনতার মহানায়ককে হত্যা করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের অধীনে দেশ এগিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সব অগ্রযাত্রার মূল নিয়ামক স্বাধীনতা।

মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছরে দেশ পদার্পণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন,

বিগত ৫৩ বছরে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বের প্রথম সারির দেশ বাংলাদেশ। দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল ও মেট্রোরেল নির্মাণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. বশিরুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ধর্মসচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. ফজলুর রহমান, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ এস এম শফিউল আলম তালুকদার, ৫৬০ মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. নজিবর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. আনিসুর রহমান সরকার ও মো. হাবজ আহমদ প্রমুখ।

    Post a Comment

    0 Comments